নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচজনের সবাই মারা গেছেন। শুক্রবার সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সায়মা (৩৫) মারা গেলে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা পাঁচে দাঁড়ায়। এর আগে তার স্বামী ও তিন সন্তান মারা যান। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, বদ্ধ ঘরে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণের ঘটনায় তারা দগ্ধ হন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সায়মার শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
এর আগে নিহত হন সায়মার স্বামী মো. কালাম (৪০), ছেলে মুন্না (১২), মেয়ে কথা (১০) ও মুন্নি (৭)। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এছাড়া মুন্নার শরীরের ৩০ শতাংশ, কথার ৫২ শতাংশ এবং মুন্নির ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
গত রোববার সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকায় মো. শাহজাহান মিয়ার মালিকানাধীন একটি ৯ তলা ভবনের নিচতলায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, বদ্ধ ঘরে গ্যাস জমে ছিল। পরে ভাড়াটিয়া কালাম লাইটার দিয়ে সিগারেট ধরাতে গেলে বিস্ফোরণ ঘটে এবং পরিবারের পাঁচ সদস্য দগ্ধ হন।
দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কয়েকদিনের ব্যবধানে পরিবারের সবাই মারা যান।
আরও পড়ুন:








