বৃহস্পতিবার

১৪ মে, ২০২৬ ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩

পদ্মায় মিলল কাপাসিয়ার পাঁচ খুনের প্রধান আসামি ফোরকানের মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ মে, ২০২৬ ১৬:৪৪

শেয়ার

পদ্মায় মিলল কাপাসিয়ার পাঁচ খুনের প্রধান আসামি ফোরকানের মরদেহ
ছবি সংগৃহীত

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন কন্যাসন্তান ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি ফোরকান মিয়ার মরদেহ বৃহস্পতিবার পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এর আগে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে তাঁর ব্যাগ ও পোশাক উদ্ধার করে। প্রাথমিক ধারণা, হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

গত শুক্রবার রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম (৩৫), তাঁদের তিন কন্যা মিম (১৪), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (১৮)। শনিবার সকালে প্রতিবেশীরা বিষয়টি লক্ষ করে পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফোরকান পরিবারের সদস্যদের খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে অচেতন করার পর গভীর রাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একে একে সকলকে হত্যা করেন এবং পালিয়ে যান। প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক কলহ ও পরকীয়াকে এই ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করছে পুলিশ।

শনিবার সন্ধ্যায় নিহত শারমিন খানমের বাবা মো. সাহাদৎ মোল্লা কাপাসিয়া থানায় ফোরকান মিয়াকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ফোরকান পলাতক থাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল তাঁকে গ্রেপ্তারে তৎপর ছিল। এরই মধ্যে সন্দেহভাজন দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছিল।

পেশায় প্রাইভেটকার চালক ফোরকান মিয়া প্রায় এক বছর আগে রাউতকোনার ওই বাড়ির নিচতলা ভাড়া নেন। তিনি গোপালগঞ্জ সদরের মেরী গোপীনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা।



banner close
banner close