মঙ্গলবার

১২ মে, ২০২৬ ২৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

স্কুলের পথে বেরিয়ে নিখোঁজ ৪ ছাত্রী, দুই দিনেও মেলেনি সন্ধান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ মে, ২০২৬ ১২:৪০

শেয়ার

স্কুলের পথে বেরিয়ে নিখোঁজ ৪ ছাত্রী, দুই দিনেও মেলেনি সন্ধান
ছবি সংগৃহীত

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়েছে চার স্কুলছাত্রী। ঘটনার দুই দিন পেরিয়ে গেলেও তাদের কোনো সন্ধান না মেলায় পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (১০ মে) সকালে উপজেলার নাজিরপুর-তাতেরকাঠি ইউনিয়নের নিজ নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশে বের হয় চার শিক্ষার্থী। পরে দিন শেষে তারা বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কোনো সন্ধান না পেয়ে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা হলো সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)। এর মধ্যে সানজিদা আক্তার ও ইসমত জেরিন নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে সানজিদা আক্তার রায়সা। আয়শা আক্তার অন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রী।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো ওইদিনও তারা স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। তবে এরপর থেকে তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থান ও আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ করেও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য মেলেনি।

নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, রোববার তিন শিক্ষার্থীই বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিল। পরে অভিভাবকদের কাছ থেকে জানা যায়, তারা স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। এরপর সহপাঠী ও পরিচিতজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলাম মোস্তফা বলেন, নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের কারও কাছে মোবাইল ফোন না থাকায় প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তারপরও বাস, লঞ্চসহ বিভিন্ন যাতায়াতমাধ্যমে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সোমবার জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে তিনি বলেন, “অভিযান অব্যাহত আছে। সর্বশেষ অবস্থান শনাক্ত করা গেছে, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”



banner close
banner close