নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুর ধর্ষণ ও পরবর্তীতে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁর ডিএনএ পরীক্ষারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
রবিবার দুপুরে তাঁকে আদালতে হাজির করে পুলিশ ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন জানায়। পরে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলাম আবেদন মঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর মাদ্রাসায় ক্লাস শেষে শিশুটিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজের কথা বলে মাদ্রাসা-সংলগ্ন একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। পরে বিষয়টি প্রকাশ করলে মারধর ও মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দেয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ১৮ এপ্রিল শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখা গেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান এবং জানতে পারেন সে অন্তঃসত্ত্বা। এরপর ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা মদন থানায় মামলা করেন।
পরে ৫ মে র্যাব অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করে। রিমান্ড শেষে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর পাশাপাশি ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন। মামলায় অভিযুক্ত তাঁর ভাই ইতিমধ্যে জামিনে রয়েছেন।
আরও পড়ুন:








