ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় চাঁদা দাবির বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে শাকিল মিয়া (২২) নামে এক ছাত্রদল কর্মীকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে কসবা থানা পুলিশ।
শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার অষ্টজঙ্গল মোড় এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত শাকিল মিয়া উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
অভিযুক্ত সাখাওয়াত হোসাইন সোহাগ মিয়া কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও বায়েক ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বলে জানা গেছে।
ইতিমধ্যে মামলার ৪ নম্বর আসামি শরিফুল ইসলাম রিমনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি কসবা উপজেলার গৌরাঙ্গলা এলাকার ফরিদ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার জেএস টেকনোলজির মালিক জহিরুল কবিরের কাছে দীর্ঘদিন ধরে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন সোহাগ মিয়া। ওই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শাকিল মিয়া মালিককে চাঁদা না দেওয়ার পরামর্শ দিলে অভিযুক্তরা তার ওপর ক্ষুব্ধ হন।
এর জেরে শনিবার রাতে অষ্টজঙ্গল মোড়ে শাকিলের গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
আহতের বাবা আবুল হোসেন বলেন, “আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার চাই।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সাখাওয়াত হোসাইন সোহাগ মিয়া দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ “মিথ্যা ও বানোয়াট”।
এ ঘটনায় জেএস টেকনোলজির মালিক জহিরুল কবির কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা গণমাধ্যমকে জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন:








