গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় একই পরিবারের তিন শিশুসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (৮ মে) রাতের কোনো এক সময় উপজেলার সদর ইউনিয়নের রাউতকোনা গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। শনিবার সকালে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশে খবর দেয়।
নিহতরা হলেন ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩০), মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (২২)। ঘটনার পর থেকে ফোরকান মিয়া পলাতক রয়েছেন। তাকে এ হত্যাকাণ্ডের মূল সন্দেহভাজন হিসেবে দেখছে পুলিশ।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন জানান, পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে কাপাসিয়া থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করেছে। হত্যার কারণ উদ্ঘাটন ও পলাতক ফোরকান মিয়াকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ফোরকান মিয়া পেশায় প্রাইভেটকার চালক। প্রায় এক বছর ধরে তিনি রাউতকোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলায়।
ঘটনাস্থলে তিন শিশুর মরদেহ বসতঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। রসুল মিয়ার মরদেহ ছিল খাটের ওপর। আর শারমিনের মরদেহ জানালার সঙ্গে রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়।
কাপাসিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) যুবাইর হোসেন বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:








