কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বাহাদুর নামে এক কৃষকের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে৷ বৈদ্যুতিক 'শর্ট সার্কিট' থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। দুই ঘন্টার আগুনে তিনটি বসত ঘর, ঘরে থাকা আসবাবপত্র, টিন, নগদ টাকা, খাদ্যশস্য, কাপড়চোপড় সহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুলপুর ঘোগার বাহাদুর আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। বাহাদুর ওই এলাকার গুলজার আলীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে বাহাদুর আলীর বাড়িতে আগুন দেখতে পান প্রতিবেশীরা। বৈদ্যুতিক 'শর্ট সার্কিট' থেকে এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। বৈদ্যুতিক শকের ভয়ে প্রথমে কেউ আগুন নেভাতে এগিয়ে আসেননি। প্রায় দুই ঘন্টার আগুনে বসতবাড়ির তিনটি ঘর ও ঘরে থাকা সকল জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে৷ অগ্নিকাণ্ড শুরুর দুই ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন স্থানীয়রা। আগুন নেভানোর আগেই সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এসময় ওই বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা ছিলেন না। বাহাদুর মাঠে কৃষি কাজ করছিলেন এবং তার স্ত্রী-সন্তানরা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বাহাদুর আলী বলেন, বৈদ্যুতিক 'শর্ট সার্কিট' থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রায় দুই ঘন্টা ধরে আগুন জ্বলতে থাকে। কারেন্ট শকের ভয়ে প্রথমে কেউ আগুন নেভাননি। প্রায় দুই ঘন্টা ধরে আগুনে পুড়তে থাকে ঘর ও ঘরে থাকা জিনিসপত্র৷ আগুনে তিনটি ঘরে থাকা খাট, চেয়ার, টেবিল, আলনা, টিন, ড্রেসিং টেবিল, হাড়ি পাতিল, বাক্স, চাল, নগদ টাকা, চাল, ধান সহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ও জিনিসপত্র আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ১০/১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। পরনের লুঙ্গিটা ছাড়া আমার আর কিছু নাই। সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা বলেন, বাহাদুরের বাড়িতে আগুনে ধরে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে৷ তার কিছুই অবশিষ্ট নেই৷ সব সম্পদ আগুনে পুড়ে গেছে। তিনি এখন নিঃস্ব হয়ে গেছে। কারেন্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। কারেন্ট শকের ভয়ে কেউ নিভাতে এগিয়ে আসেনি। প্রায় ২ ঘন্টা ধরে আগুনের পুড়তে থাকে ঘরে থাকা জিনিসপত্র। এরপর স্থানীয়রা আগুন নেভায়। বাহাদুর নিঃস্ব হয়ে গেছে৷ সরকারের উচিৎ, তাকে সাহায্য সহযোগিতা করা।
দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন ইউএনও অনিন্দ্য গুহ।
দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ বলেন, বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবো। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে সরকারিভাবে তাদের সহায়তা করা হবে।
আরও পড়ুন:

.jpg)






