বুধবার

৬ মে, ২০২৬ ২৩ বৈশাখ, ১৪৩৩

ধর্ষণে শিশু অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৬ মে, ২০২৬ ১০:৪২

শেয়ার

ধর্ষণে শিশু অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার
ছবি সংগৃহীত

নেত্রকোনার মদনে ধর্ষণে ১২ বছরের শিশু অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমানউল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র‍‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বুধবার (৬ মে)। সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের পর আসামিকে নেত্রকোণা জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে।

এর আগে, ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় মদন থানায় মেয়েটির মা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে। তিনি ওই গ্রামের হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক।,

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। একই মাদ্রাসায় তার স্ত্রী প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। ভুক্তভোগী শিশুটি একই এলাকার বাসিন্দা এক বিধবা নারীর একমাত্র মেয়ে। জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহ পরিচারিকার কাজ করেন। শিশুটি তার নানীর কাছে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর জোরপূর্বক ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের ভয় দেখান। পরে এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখে ওই শিক্ষক ছুটি নেন। এরপর থেকে তিনি আর মাদ্রাসায় আসেননি বলে জানিয়েছেন ওই মাদরাসার আরেক শিক্ষক। এদিকে ভুক্তভোগী শিশুটিও শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে গত পাঁচ মাস ধরে মাদ্রাসায় যায়নি।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ভোর সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলা থেকে র‌্যাব-১৪ (ময়মনসিংহ) এর একটি দল আসামিকে গ্রেপ্তার করে। দুপুরে র‌্যাবের পক্ষ থেকে তাকে থানায় হস্তান্তরের কথা রয়েছে। আসামি হস্তান্তরের পর দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

তিনি বলেন, আসামিকে হাতে পাওয়ার পর সময় অনুকূলে থাকলে আজই আদালতে পাঠানো হবে। অন্যথায় আগামীকাল তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।,



আরও পড়ুন:

banner close
banner close