ভোলার পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের অফিসারপাড়া এলাকায় ইংরেজি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মানসিক চাপে পড়ে তৈয়্যবা জাহান চৈতি (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার সকালে নিজ বাসার ঘরে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে সে আত্মহননের পথ বেছে নেয়।
নিহত চৈতি পুলিশ কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন ফকিরের মেয়ে এবং মাসুমা খানম স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী। তাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের গৌরনদীতে হলেও প্রায় ১০ বছর ধরে পরিবারসহ ভোলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সকালে পাঙাশ মাছ খাওয়ার কথা বলে চৈতি তার মাকে বাজারে পাঠায়। পরে ঘরের দরজা বন্ধ করে সে গলায় ফাঁস দেয়। কিছুক্ষণ পর বাজার থেকে ফিরে তার মা দরজা বন্ধ পেয়ে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা এসে পুলিশকে খবর দেন।
চৈতির মা সোনিয়া বেগমের বরাতে জানা যায়, রোববার অনুষ্ঠিত ইংরেজি পরীক্ষা ভালো হয়নি বলে জানিয়ে চৈতি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। তবে সে বিষয়টি স্পষ্টভাবে কাউকে বুঝতে দেয়নি।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশা থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে।
আরও পড়ুন:








