চুয়াডাঙ্গায় বন্য খরগোশ শিকার ও হত্যার দায়ে ৪ জন কে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। দন্ডপ্রাপ্তরা হলো-ঝিনাইদহ জেলার সাধুহাটি গ্রামের মনোরঞ্জনের ছেলে উজ্জল কুমার বিশ্বাস, মৃত তোয়াজ আলীর ছেলে
সাদগার আলী, সাধুমন্ডলে ছেলে শুকুমার মন্ডল ও মোহন কুমার বিশ্বাসের
সুধাংশু কুমার বিশ্বাস।
মোবাইল কোর্ট টি পরিচালনা করেন আমিনুল
চুয়াডাঙ্গা সদরের সহকারী কমিশনার( ভূমি) আমিনুল ইসলাম।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে বাংলাদেশ ওয়াইল্ডলাইফ এন্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ এর সভাপতি ও বড় সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ এর প্রাণিবিদ্যার প্রভাষক আহসান হাবীব শিপলু কাছে সংবাদ আসে ১৬ জনের শিকারীর দল তিতুদহ ইউনিয়নের কেরু এন্ড কোম্পানীর মাঠে বন্য খরগোশ শিকার করছে। পরবর্তীতে সংগঠনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং সত্যতা পায়। পরে চুয়াডাঙ্গা সদর বন কর্মকর্তা আবুল খায়ের আতা এলাহী কে বিষয়টি অবহিত করা হয়।
উপস্থিতি টের পেয়ে অধিকাংশ শিকারী সটকে পড়ে। পরবর্তীতে বন বিভাগ ও চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি কে অবহিত করা হয় । কিছুক্ষনের মধ্যে সকলে উপস্থিত হয়ে সরকারি আদেশ অমান্য করে বন্যপ্রাণী শিকারের দায়ে আটক ৪ জন শিকারীকে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
জীবিত উদ্ধার ৫ টি খরগোশ কে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে মাঠে অবমুক্ত করা হয়।
এসময় তিতুদহ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জসহ পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ওয়াইল্ডলাইফ এন্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ এর সভাপতি ও বড় সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ এর প্রাণিবিদ্যার প্রভাষক আহসান হাবীব শিপলু বলেন, যে কোন বন্যপ্রাণী হত্যা, ক্রয়-বিক্রয়, পাচার, আটক আইনত দন্ডনিয় অপরাধ। আমাদের জেলার কেরু এন্ড কোং মাঠে প্রাকৃতিক রত্ন বন্য খরগোশ দেখতে পাওয়া যায়। আমাদের সংগঠন প্রতিনিয়ত বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে প্রচার প্রচারণা জেলাব্যাপি করে আসছে। কিন্তু তারপরও কিছু অসাধু শিকারীর দল নির্মমভাবে এই বিপন্ন খরগোশ গুলো শিকার করে। আশা করি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০২৬ এই কর্মকাণ্ডলো কে অনেক প্রশমিত করবে।
এসময় সংগঠনের সদস্য হাসানুজ্জামান রিগান, বায়জিদ, রিয়াজ উদ্দীন, সাহাবুল সহ স্থানীয় গম্যমান ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সকলে এই কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
আরও পড়ুন:








