কালবৈশাখীর প্রভাবে টানা ভারী বর্ষণে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম-এর বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক থেকে অলিগলিতে হাঁটু থেকে বুকসমান পানি জমে জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে।
নগরের জিইসি মোড়, মুরাদপুর, চকবাজার, কাতালগঞ্জ ও প্রবর্তক মোড়সহ নিচু এলাকাগুলো দ্রুত পানির নিচে তলিয়ে যায়। পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে দেখা যায় পথচারী ও যানবাহনকে। কোথাও কোথাও যান চলাচল ধীর হয়ে পড়ে, সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট।
মুরাদপুর এলাকায় দুই ঘণ্টার বেশি সময় আটকে থাকা বেসরকারি চাকরিজীবী তোফায়েল আহমেদ বলেন, অফিস শেষে ফেরার পথে হাঁটুপানিতে পড়ে দীর্ঘ সময় সড়কেই আটকে থাকতে হয়েছে।
নগরবাসীর অভিযোগ, খাল-নালা ভরাট, অপর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা চললেও কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বিভিন্ন সেবা সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি ও পরিকল্পনার অভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে টেকসই সমাধান মিলছে না।
এদিকে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নগরীতে ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে সতর্কভাবে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:




.jpg)



