কয়েকদিনের টানা তীব্র তাপদাহের পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি নেমেছে চুয়াডাঙ্গায়। রবিবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দমকা হাওয়ার সঙ্গে শহরজুড়ে শুরু হয় এই বৃষ্টি, যা সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে আনে।
জেলার বিভিন্ন স্থানে মাঝারি বৃষ্টিপাত হলেও কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। তবে এতে ফসলের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গেছে। গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে থাকতে দেখা গেছে
এর আগে রবিবার দুপুর ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৪.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫৮ শতাংশ। সন্ধ্যা ৬টায় একই তাপমাত্রা বজায় থাকলেও আর্দ্রতা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৭ শতাংশে। এদিন মোট বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১৪.২ মিলিমিটার।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মমিনপুর ইউনিয়নের কৃষক রহিম আলী বলেন, “ধান কেটে ক্ষেতে রেখেছিলাম, গুছাতে দেরি হয়েছে হঠাৎ বৃষ্টির কারণে কিছুটা ক্ষতি হয়েছে।”
অন্যদিকে, সদরের আলোকদিয়া এলাকার কৃষক ইব্রাহিম খলিল জানান, “বেশ কয়েকদিন পর বৃষ্টি হওয়ায় স্বস্তি এসেছে। ফসলের তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি।”
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক জামিনুর রহমান জানান, “রবিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জেলায় ১৪.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টির ফলে তাপমাত্রা কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে এসেছে। তীব্র গরমের পর এই বৃষ্টি জনজীবনে স্বস্তি এনেছে।
আরও পড়ুন:




.jpg)



