বৃহস্পতিবার

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১০ বৈশাখ, ১৪৩৩

দশমিনায় খালের পাড় ভাঙন রোধ ও টেকসই সড়ক নির্মাণের দাবিতে স্মারকলিপি

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫০

শেয়ার

দশমিনায় খালের পাড় ভাঙন রোধ ও টেকসই সড়ক নির্মাণের দাবিতে স্মারকলিপি

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বহুমুখী গুরুত্বপূর্ণ সড়কসংযোগকারী সরজুবাগ ও চরহোসনাবাদ এলাকার মধ্যবর্তী খালের উভয় পাড়ের ভয়াবহ ভাঙন রোধ এবং টেকসই সড়ক নির্মাণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এলাকাবাসীর পক্ষে স্থানীয় বাসিন্দারা এই স্মারকলিপি দেন। এতে বলা হয়, প্রায় দুই দশক আগে খালটি মাত্র ১৫ ফুট প্রশস্ত থাকলেও বর্তমানে তা ২৫-৩০ ফুটে বিস্তৃত হয়েছে। ফলে খালের দুই পাড়ে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়ছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দশমিনা উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ম আহ্বায়ক ডাঃ গোলাম মোস্তফা,সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফখরুজ্জামান বাদল,দশমিনা বাজার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুল হক মিয়া,দশমিনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহজাদা তাহমিন, উপজেলা সেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক জুবায়ের হোসেন আক্কাস সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী কৃষক শ্রমিক সর্বস্তরের জনসাধারণ।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ইতোমধ্যে পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি খালের ভাঙনে বিলীন হয়েছে। এছাড়া দশমিনা থানা কমপ্লেক্স, সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনাসহ বহু সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে দশমিনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহজাদা তোহামিম জানান, খালটির দক্ষিণ পাড়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিকল্প সড়ক নির্মাণ করা হলেও সেটিও বিভিন্ন স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। খালপথে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ভারী নৌযান চলাচল ও পানি প্রবাহের চাপ বৃদ্ধির কারণে ভাঙন আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

এ অবস্থায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

স্মারকলিপিতে খালের উভয় পাড়ে স্থায়ী বাঁধ/ওয়াল নির্মাণ, গেট স্থাপন, বালু উত্তোলন নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের যাতায়াতের সুবিধার্থে টেকসই সড়ক নির্মাণের জোর দাবি জানানো হয়।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে জনদুর্ভোগ কমে এবং স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা যায়।



banner close
banner close