বুধবার

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

সর্বশেষ
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক; ঠাকুরগাঁওয়ে সেনা মোতায়েনের দাবি ভয়াল ২৮ অক্টোবর; আ. লীগের দায়ীদের বিচার কি হবে? ২৮ অক্টোবরে পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে গাজীপুরে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে: ইসি সচিব পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবি: রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ সিরাজগঞ্জে দরপত্র মূল্যায়নে অনিয়মের অভিযোগ: প্রকৌশলী সাফিউলের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে পুলিশের গাড়ির সামনেই নিষিদ্ধ যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

হাতেনাতে ধরার পর চোরকে নামাজ পড়িয়ে ছেড়ে দিলো মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০৯

শেয়ার

হাতেনাতে ধরার পর চোরকে নামাজ পড়িয়ে ছেড়ে দিলো মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ
ছবি: সংগৃহীত

চুরির অভিযোগে আটক এক যুবককে শারীরিক কোনো শাস্তি না দিয়ে, অজু করিয়ে নামাজ পড়ানোর মাধ্যমে সংশোধনের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার একটি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এই ব্যতিক্রমী ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, রাতে ওই যুবক মাদ্রাসার দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরির চেষ্টা করছিলেন। এ সময় তার সন্দেহজনক গতিবিধি দেখে স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করে। চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সাধারণত উত্তেজিত জনতা মারধর করলেও, এখানে ঘটে উল্টো ঘটনা।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ওই যুবককে মারধর না করার সিদ্ধান্ত নেন। তারা তাকে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে অজু করিয়ে মাদ্রাসার মসজিদে নামাজ পড়ানোর ব্যবস্থা করেন। এরপর তাকে সুপথে ফিরে আসার উপদেশ দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে আর কখনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াবে না, এমন অঙ্গীকার নেয়ার পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

ঘটনার একটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনরা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের এমন শান্ত ও মানবিক আচরণের ভূয়সী প্রশংসা করছেন। অনেকেই বলছেন, অন্ধকার দূর করতে আলোর প্রয়োজন, যা এই ঘটনার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা তাকে ধরেছিলাম কিন্তু মাদ্রাসার হুজুররা মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তাকে নামাজ পড়ান এবং ভালো হওয়ার সুযোগ দেন। এটি সমাজের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা।

মাদ্রাসার মুহতামিম ইমাম হোসেন মোস্তাফী বলেন, আমরা মনে করি শাস্তির চেয়ে সংশোধনই বড় বিষয়। ঘৃণাকে ঘৃণা দিয়ে নয় বরং ভালোবাসা ও মহান আল্লাহর পথে ডাকার মাধ্যমে জয় করার চেষ্টা করেছি। সে নিজের ভুল স্বীকার করেছে এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আর কখনো এমন কাজ করবে না। তাই আমরা তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছি।



আরও পড়ুন: