লালমনিরহাট, কালীগঞ্জ উপজেলায় ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় এক মোটরসাইকেল গ্যারেজ কর্মচারীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটে বুধবার বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের লুবানা ফিলিং স্টেশনে। চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র অসুস্থ থাকায় তাঁর মোটরসাইকেলে জ্বালানি নিতে গ্যারেজ মালিক প্রদীপ তাঁর কর্মচারী নদীকে ফুয়েল কার্ডসহ লাইনে পাঠান। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান কার্ডটি পরীক্ষা করে ছবির সঙ্গে নদীর চেহারার মিল না পাওয়ায় কোনো জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াই তাঁকে মারধর করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। তাঁদের তোপের মুখে ইউএনও বিষয়টি পুনরায় যাচাই করেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর অসুস্থ শিক্ষকের মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ডের সত্যতা প্রমাণিত হলে নদীকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
নদী জানান, তিনি গ্যারেজের মেকানিক। মালিকের নির্দেশে অসুস্থ শিক্ষকের কার্ড ও টাকা নিয়ে তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। ইউএনও কার্ড চেক করার সময় কোনো কথা না বলে তাঁকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। তিনি কোনো অন্যায় করেননি বলে উল্লেখ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আক্তার জাহান মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, তিনি শুধু যুবকের গাড়ির চাবি নিয়েছিলেন। নিয়ম না মেনে লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাবি নিয়ে পরে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে অভিভাবকরা এলে চাবি ফেরত দেওয়া হয়।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।
আরও পড়ুন:








