দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা পূরণ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১ লাখ ৬৯ হাজার টন ডিজেল ও অকটেন বহনকারী ৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করেছে। এর মধ্যে দুটি জাহাজ থেকে ইতোমধ্যে খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ডলফিন জেটিতে নোঙর করা ‘এমটি ওকট্রি’ ও ‘এমটি কেপ বনি’ জাহাজ থেকে সোমবার সকাল থেকে জ্বালানি খালাস শুরু হয়। ‘এমটি ওকট্রি’ জাহাজে প্রায় ৩৫ হাজার টন এবং ‘এমটি কেপ বনি’ জাহাজে প্রায় ৩৩ হাজার টন ডিজেল রয়েছে। ফলে এই দুটি জাহাজ থেকেই মোট প্রায় ৬৮ হাজার টন ডিজেল খালাস করা হচ্ছে।
এদিকে, বন্দরের বহির্নোঙরে আরও তিনটি জাহাজ খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। ‘এমটি লিয়ান সং হু’ জাহাজে প্রায় ৪১ হাজার টন ডিজেল, ‘এমটি প্যাসিফিক ইন্ডিগো’ জাহাজে প্রায় ৩৩ হাজার টন ডিজেল এবং ‘এমটি নাভে সিয়েলো’ জাহাজে প্রায় ২৭ হাজার টন অকটেন রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর জনসংযোগ শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা জানান, দেশের জ্বালানি সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে দ্রুতগতিতে খালাস কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমান চাহিদা বিবেচনায় এনে এসব জ্বালানি দ্রুত দেশের বিভিন্ন ডিপোতে পাঠানো হবে।
বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, খালাস শেষে জ্বালানিগুলো পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হবে। এতে জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি মজুত আরও শক্তিশালী হবে এবং বিদ্যুৎ, পরিবহন ও শিল্পখাতে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
এছাড়া, আরও কয়েকটি জ্বালানিবাহী জাহাজ ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছে। সেগুলোও শিগগিরই বন্দরে নোঙর করে খালাস কার্যক্রমে যুক্ত হবে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, ধারাবাহিক এই সরবরাহ ব্যবস্থার ফলে সামনের সময়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা অনেকটাই কমে আসবে।
আরও পড়ুন:








