বুধবার

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

সর্বশেষ
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক; ঠাকুরগাঁওয়ে সেনা মোতায়েনের দাবি ভয়াল ২৮ অক্টোবর; আ. লীগের দায়ীদের বিচার কি হবে? ২৮ অক্টোবরে পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে গাজীপুরে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে: ইসি সচিব পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবি: রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ সিরাজগঞ্জে দরপত্র মূল্যায়নে অনিয়মের অভিযোগ: প্রকৌশলী সাফিউলের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে পুলিশের গাড়ির সামনেই নিষিদ্ধ যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

মোহাম্মদপুরে ধর্ষণ মামলায় কসবা থেকে শিক্ষক গ্রেপ্তার

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল, ২০২৬ ০৯:৪৫

শেয়ার

মোহাম্মদপুরে ধর্ষণ মামলায় কসবা থেকে শিক্ষক গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের প্রলোভনে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং পরবর্তীতে প্রতারণার অভিযোগে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত এরফানুর রহমান (৩২) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খাড়েরা গ্রামের ফিরোজ মিয়ার ছেলে।

রবিবার দুপুরে কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের মাইজখার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, এরফানুর রহমান পূর্বে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। সেখানে অবস্থানকালে এক তরুণীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি ওই তরুণীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী বিয়ের জন্য চাপ দিলে অভিযুক্ত বিভিন্নভাবে তা এড়িয়ে যেতে থাকেন। সর্বশেষ গত ১০ এপ্রিল ভুক্তভোগীকে না জানিয়ে এরফানুর অন্যত্র বিয়ে করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে প্রতারণার শিকার হয়ে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা জানান, রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় দায়েরকৃত মামলার ভিত্তিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) একটি দল কসবায় এসে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় কসবা থানা পুলিশ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।



আরও পড়ুন: