বুধবার

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

সর্বশেষ
নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে একজোট হচ্ছে ইসরায়েলের বিরোধীরা ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক রক্তাক্ত অধ্যায়: মামুনুল হক প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক; ঠাকুরগাঁওয়ে সেনা মোতায়েনের দাবি ভয়াল ২৮ অক্টোবর; আ. লীগের দায়ীদের বিচার কি হবে? ২৮ অক্টোবরে পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে গাজীপুরে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে: ইসি সচিব পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবি: রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

দোয়ারাবাজারে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১৪

শেয়ার

দোয়ারাবাজারে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ
ছবি বাংলা এডিশন

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় ‘বাংলাবাজার পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি’র বৈধ কমিটির কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি, স্বাক্ষর জালিয়াতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের কিরণপাড়া গ্রামে সংবাদ সম্মেলন করেন সমিতির নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, স্থানীয় বিএনপি নেতা মোর্শেদ আলমের নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী মহল দীর্ঘদিন ধরে সমিতির বৈধ কমিটির সদস্যদের নাম ব্যবহার করে ভুয়া নথি তৈরি, স্বাক্ষর জালিয়াতি এবং সাধারণ সদস্যদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে সমিতির কার্যক্রম সচল রাখতে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ওই মহলটি সমিতির প্যাড ও কর্মকর্তাদের জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করে বিভিন্ন দপ্তরে ভুয়া অভিযোগ ও রেজুলেশন দাখিল করেছে। পাশাপাশি কমিটির কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার হুমকি দিয়ে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা চলছে। এতে সমিতির সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, মোর্শেদ আলমের নেতৃত্বে একটি গোষ্ঠী সমবায়ের নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে সমিতির সম্পদ ও তহবিল দখলের চেষ্টা করছে। তারা চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানি করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও জানান, গত ১৬ এপ্রিল ওই নেতা ও তার সহযোগীরা সমিতির তালা ভেঙে দখল নেয়। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং বাড়িঘর ছেড়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

সমিতির সদস্য জোছনা বেগম ও আছিয়া বেগম অভিযোগ করেন, তাদের কাছ থেকে উন্নয়ন প্রকল্পের কথা বলে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে সেই স্বাক্ষর ব্যবহার করে চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দেওয়ায় তাদের ভয়ভীতি ও হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত পুলিশ পাঠানো হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সাধারণ সদস্য ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। তারা অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।



আরও পড়ুন: