চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় দুর্বৃত্তদের কোপে আহত ববিতা খাতুন মারা গেছেন। গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে গত শুক্রবার দিবাগত রাত ৪টার দিকে উপজেলার ডুমুরিয়া দক্ষিণপাড়ার তাঁর বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ববিতা একই গ্রামের সানোয়ার হোসেনের মেয়ে।
সানোয়ার হোসেন বলেন, রাতে আমার মেয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। রাতে মেয়ের চিৎকারে আমার ঘুম ভাঙে। পরে তাকে
উদ্ধার করে প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
তিনি আরও জানান,অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান। বর্তমানে তার মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
প্রতিবেশীরা জানান, ববিতার তিনটা বিয়ে হয়েছে। তবে বর্তমানে তার কারও সঙ্গে সম্পর্ক নেই। তার দুটো মেয়ে আছে। বাবা রোগে আক্রন্ত। কাজ করতে পারেন না।
এ বিষয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা বলে জানা গেছে। ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান ওসি সোলায়মান সেখ।
আরও পড়ুন:








