ঢাকার ধামরাইয়ে পর্নোগ্রাফি ও নারী নির্যাতন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে গিয়ে পুলিশের ওপর দুই দফা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ধামরাই উপজেলা যুবদলের সদস্যসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া পলাতক আসামিসহ অজ্ঞাত আরও ১৫-১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় ধামরাই পৌরসভার পাঠানটোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তাররা হলেন— সৈয়দ ইউসুফ আলী প্রাদিস ও নাইম ইসলাম। তাদের মধ্যে নাইম ইসলাম ধামরাই উপজেলা যুবদলের সদস্য এবং তিনি ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। মামলার অন্য আসামিরা হলেন— আনিকা রায়হান সুচনা, রায়হান ও অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জন।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন— মো. আইয়ুব আলী, শামীম আল মামুন, মো. কাশেম হোসেন ও আব্দুস সামাদ।
পুলিশ জানায়, বুধবার পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে ধামরাই থানায় করা একটি মামলার (নম্বর-২৪) সূত্র ধরে বিকেল ৩টার দিকে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযানে যায় পুলিশ। এ সময় আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয় এবং বাধা প্রদান করে। একপর্যায়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের মারধর করলে আইয়ুব আলী ও শামীম আল মামুন আহত হন।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশের আরও একটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে হামলাকারীরা তাদের ওপরও চড়াও হয়। এতে কাশেম হোসেন ও আব্দুস সামাদ জখম হন। আসামিদের গ্রেপ্তারের পর থানায় নেওয়ার পথে হামলাকারীরা পুলিশ পিকআপের গতিরোধ করে এবং পুলিশ সদস্য আইয়ুব আলীর পোশাক ছিঁড়ে ফেলে। আহত পুলিশ সদস্যদের ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা এবং মারধরের অভিযোগে পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন:








