মঙ্গলবার

৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৪ চৈত্র, ১৪৩২

আশুলিয়ায় নবম শ্রেণির ছাত্রী নিখোঁজ: শিক্ষকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আশুলিয়া প্রতিনিধি:

প্রকাশিত: ৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:২৫

শেয়ার

আশুলিয়ায় নবম শ্রেণির ছাত্রী নিখোঁজ: শিক্ষকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
ছবি সংগৃহীত

ঢাকার আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজীরচট এলাকায় এক নবম শ্রেণির স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাইভেট শিক্ষকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে তাকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং বিপুল পরিমাণ টাকা ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মা আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ গাজীরচট এলাকার বাসিন্দা মোছাঃ সাহিদা আক্তারের (৪০) মেয়ে মোছাঃ তাইবা আক্তার স্বর্ণা (১৪) স্থানীয় গাজীরচট মডেল হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। একই স্কুলের শিক্ষক পরিচয়ে অভিযুক্ত মোঃ আতিকুর রহমানের কাছে সে প্রাইভেট পড়ত।

গত ৩০ মার্চ দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে প্রাইভেট পড়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেনি স্বর্ণা। পরে পরিবার স্কুলে গিয়ে খোঁজ নিলে অভিযুক্ত আতিকুর রহমান বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে নানা ধরনের অসংলগ্ন বক্তব্য দিতে থাকেন, যা পরিবারের সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তোলে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নিখোঁজ হওয়ার সময় স্বর্ণা পরিবারের অজান্তে ঘরে থাকা নগদ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং প্রায় দুই ভরি স্বর্ণালংকার সঙ্গে নিয়ে যায়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় চার লাখ টাকা। পরিবারের দাবি, অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে তাকে প্রলুব্ধ করে এসব সম্পদ হাতিয়ে নিয়েছে।

এদিকে, ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে অভিযুক্ত আতিকুর রহমান ভুক্তভোগীর বাসায় গিয়ে মেয়ের সন্ধান দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি ঘোরানো ও অসংলগ্ন কথা বলেন, যা তার সংশ্লিষ্টতার সন্দেহ আরও জোরালো করে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, আতিকুর রহমান, মোজাম্মেল ও মাসুদ পরিকল্পিতভাবে স্বর্ণাকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে গেছে। নিখোঁজের পর সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করছে।

আশুলিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।



আরও পড়ুন:

banner close
banner close