টানা তিনদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা চুয়াডাঙ্গায়। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড রোদ আর তীব্র গরমে জনজীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ।
সকালে সূর্য ওঠার পর থেকেই তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে শুরু করছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে রোদের তীব্রতা। দুপুর ১২টার দিকে তাপমাত্রা পৌঁছাচ্ছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, আর বিকেল ৩টায় রেকর্ড হচ্ছে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।
শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ২৬ শতাংশ। একইদিন দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এর আগে শুক্রবার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। সেদিন দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বিকেল ৩টায় সর্বোচ্চ ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩১ শতাংশ। বৃহস্পতিবারও জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এই অসহনীয় গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত রোদের তীব্রতায় কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এক রিকশাচালক বলেন, “রোদে বের হওয়া কষ্টকর, ভাড়াও তেমন পাওয়া যাচ্ছে না।” মাছ বিক্রেতা কাশেম আলী জানান, “বাইরে দাঁড়ানোই যাচ্ছে না, কিন্তু পেটের দায়ে কাজ করতে হচ্ছে।”
চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক আলতাফ হোসেন বলেন, বর্তমানে এ অঞ্চলে মাঝারি তাপপ্রবাহ চলছে। আগামী দু’দিন তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। তবে পরে মেঘ ও বৃষ্টিপাত শুরু হলে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন:








