ঈদের পর ঢাকা ও আশেপাশের বাজারে মাছ ও মুরগির দাম হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে। মিঠা পানির বড় মাছ কেজিতে ৫০–১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়, সোনালি মুরগির দাম রমজানে ৩৩০ টাকায় পৌঁছেছে, যা কেজিপ্রতি ১০০ টাকা বৃদ্ধি। দেশি মুরগির মাংসও কেজিতে ৭৫০ টাকার নিচে মিলছে না। বিক্রেতারা সরবরাহ সংকট ও পরিবহণ খরচ বৃদ্ধিকে এ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন।
সবজির বাজারে তুলনামূলক স্বস্তি রয়েছে। রমজানকাল জুড়ে বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০–২০ টাকা কমেছে। শিম, পটল ও বরবটি কেজিতে ৬০–৭০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচামরিচের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকলেও করলা, গোল বেগুন ও কচুর লতির দাম এখনো তুলনামূলকভাবে বেশি। মাঝারি লেবুর দাম কমলেও বড় লেবু আগের দরে বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের বাজারও সীমিত স্বস্তি দিচ্ছে। লাল ডিমের ডজন ১০৫–১১০ টাকা, হাসের ডিম ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সাধারণ ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, নিয়মিত তদারকি না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছেন, যার ফলে সীমিত আয়ের মানুষদের জন্য ভোজ্য সামগ্রীর ব্যয় সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
আরও পড়ুন:






.jpg)

