সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়ি ওয়েল ডিপোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল থাকা সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে চাহিদা অনুযায়ী তেল না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ২৩ মার্চ থেকে ঈদুল ফিতরের দুই দিনের ছুটির পর পুনরায় তেল বিপণন শুরু হয়েছে। পাম্প মালিক, ডিলার ও ট্যাংক লরি চালকেরা চাহিদা মিটতে না পারায় কৃষি ও পরিবহন খাতে সমস্যা বেড়ে যাওয়ার কথা জানাচ্ছেন।
উত্তরাঞ্চলের ২০ জেলার জন্য তেল সরবরাহের প্রধান কেন্দ্র বাঘাবাড়ি ওয়েল ডিপো। সূত্রে জানা গেছে, একদিনে ডিপো থেকে সরবরাহ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার লিটার অকটেন, ৩ লাখ ৮৮ হাজার লিটার পেট্রল এবং ২১ লাখ ৪৪ হাজার লিটার ডিজেল। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ডিপোতে মজুদ ছিল ১ কোটি ৬৭ লাখ ৫২ হাজার লিটার। ছুটির দিনগুলোতে ১০ থেকে ১১টি তেলবাহী জাহাজ ডিপোতে এসে ভিড়েছে।
পাম্প মালিক মো. মুস্তাফিজুর রহমান জানান, ইরি ধানের মৌসুমে তেলের চাহিদা অনেক বেশি, কিন্তু প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না, ফলে পাম্পে গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ কঠিন হচ্ছে। ডিলার আবু সাঈদ বলেন, তেলের বণ্টন সঠিকভাবে হচ্ছে না, কেউ বেশি পাচ্ছে আবার কেউ কম, যা বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। ট্যাংক লরি চালক আব্দুল বাতেন জানিয়েছেন, দূর থেকে তেল নিতে আসলেও তেল পাওয়া যাচ্ছে না, এতে সময় ও খরচ বেড়ে যাচ্ছে।
শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসফিকা হোসেন জানান, ডিপোতে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং প্রতিটি ডিলারের বরাদ্দ বগুড়া সেলস অফিস দ্বারা নির্ধারিত। তবে কিছু ভোক্তা অতিরিক্ত তেল মজুদ করায় বাজারে সংকটের অনুভূতি তৈরি হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরবরাহ ও বণ্টনে সমন্বয় ও নজরদারি জোরদার করলে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:








