রাজধানীর সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষের ঘটনায় নদীতে পড়ে নিখোঁজ যাত্রী মিরাজ ফকিরের ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় সোহেল ফকির নামে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন এবং তাঁর স্ত্রী রুবা ফকির গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নৌ-পুলিশ জানিয়েছে, এ মামলায় এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় সদরঘাটে ঢাকা-ইলিশা রুটের ‘আসা যাওয়া-৫’ লঞ্চে ট্রলার দিয়ে যাত্রী তোলার সময় পেছন থেকে ‘এমভি জাকির সম্রাট-৩’ আরেকটি লঞ্চ ধাক্কা দেয়। এতে ধাক্কা দেওয়া লঞ্চের সামনের অংশের আঘাতে অপেক্ষমাণ লঞ্চে থাকা এক যাত্রী পিষ্ট হন এবং রুবা ফকির গুরুতর আহত হয়ে নদীতে পড়ে যান। আশপাশের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
সদরঘাট নৌ থানার অফিসার ইনচার্জ সোহাগ রানা শুক্রবার জানান, নিখোঁজ মিরাজ ফকিরের এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁর ছেলে সোহেল ফকিরের মরদেহ ঘটনার দিনই পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়া হস্তান্তর করা হয়েছে।
নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান, নিহত সোহেল ফকিরের চাচা সিরাজ ফকির বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা দুই লঞ্চের স্টাফ ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন।
আরও পড়ুন:








