টানা চার দিন যানবাহনের চাপ থাকার পর ঈদের আগের দিন দেশের ব্যস্ততম যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে যানবাহনের চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। শুক্রবার সকাল থেকে এ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কমতে থাকে এবং দুপুরের দিকে এটি প্রায় ফাঁকা হয়ে যায়। এ ছাড়া সিরাজগঞ্জের উত্তরবঙ্গমুখী সব রুটেই স্বাভাবিকের তুলনায় যানবাহন চলাচল কমে গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৪৫ হাজার ৬১০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৭৮ হাজার ৪৫০ টাকা।
যমুনা সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালন শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের কারণে টানা চার দিন যমুনা সেতু দিয়ে স্বাভাবিকের তুলনায় দুই থেকে তিন গুণ যানবাহন পার হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে যানবাহনের চাপ কমে যায়।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ওসি আমিরুল ইসলাম বলেন, গত কয়েক দিনের ব্যস্ততা শেষে শুক্রবার দুপুরের পর থেকে মহাসড়ক ফাঁকা হতে শুরু করেছে। যমুনা সেতুর পশ্চিম গোলচত্বর থেকে পুরো মহাসড়কে মাঝে মধ্যে কিছু সংখ্যক যানবাহন চললেও অধিকাংশ সময় রুটটি ফাঁকাই রয়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে জেলা পুলিশ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে। মানুষের নিরাপত্তায় ছয়শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। ফলে এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার বিকেল থেকে সিরাজগঞ্জের মহাসড়কগুলোতে যানবাহনের ঢল নামে। যমুনা সেতু দিয়ে স্বাভাবিকের তুলনায় দুই থেকে আড়াই গুণ যানবাহন পারাপার হলেও যানজট বা ধীরগতি ছিল না।
আরও পড়ুন:








