আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অস্থিরতার সুযোগে দেশীয় জ্বালানি সম্পদ পাচার রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) তাদের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি তল্লাশি এবং গোয়েন্দা নজরদারি ব্যাপকহারে জোরদার করেছে।
বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে তেলের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এই সুযোগে কিছু অসাধু চক্র অধিক মুনাফার আশায় জ্বালানি তেল মজুত কিংবা পার্শ্ববর্তী দেশে পাচারের চেষ্টা করতে পারে। এমন আশঙ্কা থেকে বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনায় চুয়াডাঙ্গার সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিশেষ করে দর্শনা আইসিপিসহ যেসব রুট দিয়ে অতীতে ডিজেল ও পেট্রোল পাচারের চেষ্টা হয়েছে, সেসব পয়েন্টে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হচ্ছে। দর্শনা আইসিপি দিয়ে ভারতগামী পণ্যবাহী যানবাহনে অধিক সতর্কতার সাথে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের চলাচলের ওপর কঠোর নজর রাখতে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ নাজমুল হাসান জানান, দেশের জ্বালানি সম্পদ সুরক্ষায় বিজিবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন "সীমান্ত সীমান্ত পথে যাতে কোনোভাবেই জ্বালানি তেল পাচার হতে না পারে, সেজন্য আমাদের সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি সন্দেহজনক যেকোনো পরিবহণ ও গতিবিধির ওপর কঠোর নজর রাখা হচ্ছে। পাচারের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুন:








