সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় নির্ধারিত বিক্রয়স্থলে টিসিবির পণ্য না পেয়ে অর্ধশতাধিক সুবিধাভোগী ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে ধামাইনগর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেক কার্ডধারী পণ্য না পেয়ে বাড়ি ফিরে যান বলে জানা গেছে।
সকাল থেকে ধামাইনগর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে অসংখ্য সুবিধাভোগী কার্ড হাতে নিয়ে টিসিবির পণ্যের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। তবে নির্ধারিত বিক্রয়স্থলে ডিলারের উপস্থিতি ছিল না এবং সেখানে কোনো পণ্য মজুতও দেখা যায়নি।
সুবিধাভোগী মনিরসহ কয়েকজন জানান, বুধবার পণ্য কিনতে এলে ডিলার সার্ভারে সমস্যার কথা উল্লেখ করে সেদিন পণ্য বিক্রি সম্ভব হয়নি বলে জানান এবং পরদিন আসতে বলেন। সে অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে তারা আবার আসেন। কিন্তু এসে দেখেন ডিলার উপস্থিত নেই এবং বিক্রয়স্থলে কোনো পণ্যও নেই।
সুবিধাভোগীদের অভিযোগ, তাদের কাছে কার্ড থাকলেও পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না। ডিলারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানানো হয় যে সব পণ্য বিক্রি হয়ে গেছে।
মক্কা ট্রেডার্সের মালিক বাবুল আক্তার জানান, সকাল থেকেই পণ্য বিক্রি হওয়ার কথা ছিল। তিনি যোগাযোগের জন্য একটি নম্বর দেন। ওই নম্বরে যোগাযোগ করলে আমিরুল নামে এক ব্যক্তি নিজেকে তাড়াশ পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচয় দিয়ে জানান, তাদের কাছে এখনও ৩০টি কার্ডের পণ্য রয়েছে। লোকজন বেশি হওয়ায় পণ্যগুলো অন্যত্র রাখা হয়েছে এবং পরে ৩০ জনের মধ্যে বিক্রি করা হবে।
ধামাইনগর ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত গ্রাম পুলিশ সদস্য শওকাত আলী জানান, ডিলার তাকে জানিয়েছেন পণ্য শেষ হয়ে গেছে।
রায়গঞ্জ উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, ডিলার কখন এবং কোথায় পণ্য বিক্রি করেন সে বিষয়ে সব সময় তাদের কাছে তথ্য থাকে না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারীকে বৃহস্পতিবার বিকেলে তার কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি। একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। স্থানীয় সুবিধাভোগীরা অভিযোগ করেছেন, নির্ধারিত বিক্রয়স্থলে পণ্য না এনে অন্যত্র সরিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত কার্ডধারীদের মধ্যে টিসিবির পণ্য বিতরণের দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন:







.jpg)
