সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল এলাকায় কয়েকটি আবাসিক হোটেলে দেহব্যবসা ও মাদকসংক্রান্ত অনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব কার্যক্রম চললেও দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পুলিশ বলছে, বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ময়না মতি, নিরিবিলি, দোয়েল ও নিউ মারসিটি নামে কয়েকটি আবাসিক হোটেলে প্রকাশ্যে দেহব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, একই পরিবারের জেলহক, জাহাঙ্গীর ও বাবু নামের তিন ব্যক্তি এসব কার্যক্রমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের প্রভাবের কারণে অসহায় নারীদের দেহব্যবসায় যুক্ত করা হচ্ছে।
এছাড়া কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, কিছু শিক্ষার্থীকে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে আনুষ্ঠানিক কোনো নথি বা তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কিছুদিন আগে হাটিকুমরুলের একটি আবাসিক হোটেলে এক যুবক-যুবতীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় সলঙ্গা থানায় একটি মামলা হয়। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হলেও স্থানীয়দের দাবি, সামগ্রিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে, এসব হোটেলে দেহব্যবসার পাশাপাশি মাদক কেনাবেচা ও সেবনও হয়ে থাকে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে দোয়েল হোটেলের মালিক হিসেবে পরিচিত জাহাঙ্গীর জানান, আবাসিক হোটেলে নারী না রাখলে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয় এবং রমজান মাসে ব্যবসা তুলনামূলক কম চলছে।ৎএ বিষয়ে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:



.jpg)




