সোমবার

২ মার্চ, ২০২৬ ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

কুষ্টিয়ার ডিসির বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে জুলাই যোদ্ধাদের বিক্ষোভ মিছিল

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২ মার্চ, ২০২৬ ০০:১৪

শেয়ার

কুষ্টিয়ার ডিসির বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে জুলাই যোদ্ধাদের বিক্ষোভ মিছিল
ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেনকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শহরে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন আহত জুলাই যোদ্ধারা।

রবিবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আদেশক্রমে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। একই আদেশে আরও চারজন জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

এর আগে গত বছরের ৮ নভেম্বর রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিচালক পদ থেকে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পদায়ন করা হয় ইকবাল হোসেনকে।

জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেনকে প্রত্যাহারের বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। অনেকেই জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেনকে একজন ‌‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ উল্লেখ করে এ আদেশে চরম ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

ইকবাল হোসেনকে প্রত্যাহারের পরপরই কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামি বক্তা মুফতি আমির হামজা তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘এ দেশে সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক মানুষের মূল্য নেই।’

পোস্টটিতে কারোর নাম উল্লেখ করা না হলেও অনেকেই ধারণা করছেন, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেনের প্রত্যাহারের বিষয়টিকে ইঙ্গিত করেই তিনি এই মন্তব্য করেছেন। অবশ্য পরে পোস্টটি খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এদিকে এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রাতে শহরে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন আহত জুলাই যোদ্ধারা। তারা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত বাতিল বা স্থগিতের দাবি জানান।

অন্যদিকে জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেনের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিতে সোমবার (২ মার্চ) সকাল ১০টায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয়া হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাবেক শেখ মোস্তাফিজুর রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এ আহ্বান জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক কুষ্টিয়া জেলার সৎ, যোগ্য,মানবিক ও ন্যায়পরায়ণ জেলা প্রশাসকের আকস্মিক বদলির সিদ্ধান্তে জেলাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। তার জনবান্ধব ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক কার্যক্রম জেলার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।



banner close
banner close