সোমবার

২ মার্চ, ২০২৬ ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

দোয়ারাবাজারে গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজি-ডাকাতির অভিযোগ, কল দিলেও পুলিশ আসে না—ক্ষোভ পরিবহন শ্রমিকদের

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

প্রকাশিত: ১ মার্চ, ২০২৬ ২২:২১

শেয়ার

দোয়ারাবাজারে গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজি-ডাকাতির অভিযোগ, কল দিলেও পুলিশ আসে না—ক্ষোভ পরিবহন শ্রমিকদের
ছবি: সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে রাতের আঁধারে গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজি ও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার উপজেলার সদর ইউনিয়নের দোয়ারাবাজার -ছাতক সড়কের দোয়ারা সদর ইউনিয়নের নৈনগাঁও এলাকায় রাত ২ টার দিকে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি ও ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

পরিবহন চালকদের দাবি, গভীর রাতে সড়কে গাড়ি থামিয়ে জোরপূর্বক টাকা আদায় করা হয় এবং গাড়ি থেকে মালামাল লুট করা হয়েছে। এতে করে চালক ও শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

চালকদের ভাষ্য, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর আগেও একাধিকবার একই কায়দায় গাড়ি থামিয়ে চাঁদা আদায় ও মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু প্রতিবারই অভিযুক্তরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সর্বশেষ ঘটনার সময় তাৎক্ষণিকভাবে দোয়ারাবাজার থানায় ফোন করে জানানো হলেও ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়নি। এতে পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

কিছু শ্রমিক আরও অভিযোগ করেন, সীমান্ত-সংশ্লিষ্ট কিছু গাড়ি রাতে চলাচল করে এবং সেই গাড়ি গুলোকে নিরাপদে যেতে দেওয়া হয়। এ কারণেই সাধারণ অভিযোগে পুলিশ দ্রুত সাড়া দেয় না বলে তাদের ধারণা। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবুও এলাকাজুড়ে এ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “আমি কিছুদিন আগে এখানে দায়িত্ব নিয়েছি। শরীফপুর গ্রামে এ ধরনের একটি ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। নৈনগাঁওয়ের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। ডিউটি অফিসার কেন ঘটনাস্থলে যায়নি, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”

স্থানীয়দের প্রশ্ন, ঘটনা ঘটার পরও যদি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশি উপস্থিতি নিশ্চিত না হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কার কাছে যাবে? দোয়ারাবাজার-ছাতক সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন পরিবহন চালক ও এলাকাবাসী।



banner close
banner close