চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মী নিহতের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামের জীবননগর কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাসস্ট্যান্ড ট্রাফিক আইল্যান্ডে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা নিহত হাফিজুর রহমানের হত্যাকাণ্ডে জড়িত বিএনপি কর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন।
তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার না হলে জীবননগরে আগুন জ্বলবে। বিক্ষোভ চলাকালে কর্মীরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান এবং প্রায় ৩০ মিনিট শহরের যান চলাচল বন্ধ থাকে।
জীবননগর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাজেদুর রহমানের সভাপতিত্ব সভায় বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা প্রশিক্ষণ সম্পাদক জিয়াউল হক, জেলা মাজলিসুল মুফাসসিরিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান, জীবননগর উপজেলা জামাতের নায়েবে আমির সাখাওয়াত হোসেন।
সংঘর্ষে নিহত হাফিজুর রহমানের জানাজা আজ রবিবার বেলা ৩টায় জীবননগরের সুটিয়া গ্রামে জানাযা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হয়। জানাযায় চুয়াডাঙ্গা ২ আসনের এমপি জেলা জামায়াতের আমীর মোঃ রুহুল আমীন, চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের এমপি এ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল উপস্থিত ছিলেন।
পুর্ব শত্রুতার জের ধরে শনিবার ইফতারের পর স্থানীয় হাসাদহ বাজারে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ হয়। এ সময় জামায়াতের ৪ জন ও বিএনপির ২ জন গুরুত্বর আহত হয়। মারাত্বক জখম জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন:








