আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় যুবদলের এক নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার বিকালে উপজেলার সেনহাটি এলাকার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান দিঘলিয়া থানার ওসি শাহ আলম।
নিহত খান মুরাদ উপজেলার হাজিগ্রাম এলাকার বাসিন্দা খান মুনসুর আহমেদের ছেলে। তিনি সেনহাটি ইউনিয়ন যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ড্রেজার (খনন) ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকালে মুরাদ খুলনা থেকে গ্রামে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে সেনহাটি মিয়াপাড়া মসজিদের কাছে পৌঁছালে কয়েকজন যুবক তার গতিরোধ করেন। এ সময় তিনি দৌড়ে একটি দোকানে আশ্রয় নেন। সেখান থেকে তাকে ধরে নিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে চলে যান হামলাকারীরা।
পরে স্থানীয়রা মুরাদকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। নিহতের পিঠ ও ঊরুতে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
ওসি শাহ আলম বলেন, “নিহত ব্যক্তি যুবদল নেতা এবং হামলাকারী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। সপ্তাহখানেক আগে একটি টেন্ডার নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলা হয়। ওই ঘটনার জেরে তাকে কোপানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”
তিনি বলেন, এর মধ্যে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। ঘটনার কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:








