টাঙ্গাইলের গোপালপুরে গভীর রাতে ৮টি ঘোড়া জবাই করে মাংস প্যাকেটজাত করার সময় কসাইসহ চারজনকে স্থানীয় গ্রামবাসী আটক করেছেন। পরে তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের চোরের ভিটা গ্রামের হাফিজুর রহমানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। হাফিজুর রহমান ৯নং ওয়ার্ড কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক।
স্থানীয়দের দাবি, গভীর রাতের নিস্তব্ধতায় তারা হাফিজুর রহমানের বাড়িতে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ৮টি ঘোড়া জবাই করা হয়েছে এবং আরও ৪টি ঘোড়া বেঁধে রাখা আছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘোড়া জবাই করে প্রায় ১০-১২ জন লোক মাংস প্যাকেট করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। আলাদা করা হচ্ছিল হাড় ও মাংস, চলছিল প্যাকেটজাত করার তোড়জোড়। এ সময় চারজনকে হাতেনাতে আটক করে স্থানীয়রা, তবে বাড়ির মালিক পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় থানায় খবর দেওয়ায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটক ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, জবাই করা ঘোড়ার মাংসই বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তোরাঁয় গরুর মাংস হিসেবে সরবরাহ করা হতো। দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল এই প্রতারণা। তারা জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
আটক ব্যক্তিরা হলে- জামগড়া এলাকার হাসান হাওলাদারের ছেলে হৃদয় (২৩), তৈয়বপুরের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে সুমন (২০), ধনিয়া এলাকার মৃত আবু তাহেরের ছেলে ফরহাদ (৩০) এবং মহিষখোঁচার মোফাজ্জল হোসেনর ছেলে আমিনুল ইসলাম (২৪)।
গোপালপুর থানা অফিসার ইনচার্জ গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের আওতায় আনা হবে।
আরও পড়ুন:








