পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) এনিমেল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের জেনারেল এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড এনিম্যাল নিউট্রিশন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ শাহবুবুল আলম ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর প্রফেসর ড. আলী আজগরের কম্বাইন্ড ডিগ্রি ইস্যুতে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এএনএসভিএম অনুষদের একাডেমিক ভবন-২ এর সামনে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, কম্বাইন্ড ডিগ্রি আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে এনিমেল হাজবেন্ড্রি (এএইচ) ডিসিপ্লিনের শিক্ষকরা অনুষদের লেভেল-৪ সেমিস্টার-১ ও লেভেল-১ সেমিস্টার-২ এর শিক্ষার্থীদের ক্লাস পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
পরিপেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা ডিন ভবন ঘেরাও করে ডিন বরাবর পরীক্ষা নেয়ার জন্যে লিখিত দেন।
এরপর উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা একাডেমিক ভবন-২ এর দিকে অগ্রসর হয়ে অনুষদের কেন্দ্রীয় মাঠে অবস্থান নেয়। শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভের পরিপেক্ষিতে এএইচ ডিসিপ্লিনের শিক্ষকরা একাডেমিক ভবনের সামনে এসে জড়ো হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ও ডিনকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. খোন্দকার জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী প্রক্টর প্রফেসর ড. আলী আজগর ঘটনাস্থলে শিক্ষকদের সামনে উপস্থিত হন।
এ সময় উপস্থিত সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সামনে জেনারেল এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড এনিম্যাল নিউট্রিশন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ শাহবুবুল আলম ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর প্রফেসর ড. আলী আজগরের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়, একপর্যায়ে বিষয়টি হাতাহাতির পর্যায়ে চলে যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেনারেল এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড এনিম্যাল নিউট্রিশন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ শাহবুবুল আলম বলেন, ‘শিক্ষকদেরকে ভিতরে রেখে কয়েকজন ছাত্র একাডেমিক বিল্ডিং তালা দিতে আসে। পরবর্তীতে আমি সহকারী প্রক্টরকে ফোন দিলে তাকে পাওয়া যায়নি। তারপর ডিন স্যারকে কল দেওয়ার পর তারা আসলে সহকারী প্রক্টরের সাথে আমার বাকবিতন্ডা হয়। তবে, আমরা বিষয়টি পরবর্তীতে সমাধান করে নিয়েছি।’
সহকারী প্রক্টর প্রফেসর ড. আলী আজগর বলেন, ‘ডিন অফিসে কম্বাইন্ড ডিগ্রির শিক্ষার্থীদের সাথে আমরা কথা বলেছিলাম। কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী ডিন অফিস থেকে একাডেমিক ভবনের দিকে যায়, তার মধ্যে একজন তালা লাগানোর কথা বললে অধ্যাপক শাহবুবুল আমাকে ফোন দেয়। আমি ব্যস্ত থাকতে কল ধরতে পারিনি। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে আসার পরে উনি আমার সাথে উচ্চ বাক্য ব্যবহার করেন, আমিও কিছুটা উত্তেজিত হই। পরবর্তীতে উনি প্রকাশ্যে আমার কাছে সরি বলেন।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি, বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত একটি ঘটনা ছিল। আমি পরবর্তীতে খোঁজ নিয়েছি ওনারা বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করে নিয়েছেন।’
আরও পড়ুন:








