টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানায় নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ দিতে গেলে ভুক্তভোগীর বোনকে খারাপ ও ফাজিল মহিলা বলে গালি দিয়ে থানা থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে খোদ ওসির বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, এস আই রুবেল মিঞা ও এ এস আই অনন্ত দাসও ভূক্তভোগীর পরিবারের সাথে অশোভনীয় আচরন করেন।
রবিবার দুপুরে ভুক্তভোগী নারীর বোন সশরীরে ভূঞাপুর প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন এবং এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের এক স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীর ছবি ইডিট করে অশালিন ভঙ্গিতে পুনরায় তৈরি করে রকি নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ছড়িয়ে দেয়ায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। মুহুর্তে ভাইরাল হওয়া সেই ছবি ভূক্তভোগীর পরিবারের নজরে আসলে তারা আইনের সহযোগিতা নিতে থানায় ছুটে আসে। অভিযোগ দায়ের পরবর্তী ১৪ ফেব্রুয়ারী রাতেই অভিযুক্ত উপজেলার নিকরাইল গ্রামের আজিম উদ্দীনের ছেলে পোশাক শ্রমিক রুবেল হোসেনকে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
ভূক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ করে বলেন, থানায় রুবেল হোসেনের ফোন থেকে ছবি মুছে ফেলে পুলিশ। পরে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করলে সঙ্গীয় এস আই রুবেল ও এ এস আই অনন্ত দাস ভুক্তভোগী নারীর বোনের সাথে অশালীন আচরন করেন এবং ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাব্বির রহমান ঐ নারীকে খারাপ মহিলা ও ফাজিল মহিলা বলে গালাগাল দেন এবং থানা থেকে বের করে দেন। এ সময় ঐ নারীকে মামলা নিবেনা বলে হুমকি প্রদান করেন ওসি সাব্বির রহমান।
এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নিকরাইল ইউনিয়নের মহিলা দলের সভাপতি ময়মনা বেগম বলেন, একজন নারীর ছবি উলঙ্গ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া আর তাকে ধর্ষন করা সমান অপরাধ। এই ঘটনার বিচার চাইতে থানায় গেলে ওসি মো. সাব্বির রহমান ভূক্তভোগী নারীর বোনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে থানা থেকে বের করে দেয়।
বিষয়টি অস্বীকার করে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো, সাব্বির রহমান বলেন ঐ মহিলার অভিযোগ মিথ্যা।
আরও পড়ুন:








