ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বইছে নির্বাচনি হাওয়া। শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় সরগরম সীমান্তঘেঁষা এই দুই উপজেলা। নাওয়া-খাওয়া ভুলে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রার্থীরা। তবে এই আসনে মূলত লড়াই হবে ত্রিমুখী নয়, বরং দ্বিমুখী।
স্থানীয়দের মতে, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মধ্যেই হবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং তা হবে অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি।
এ আসনে মোট ৭ জন প্রার্থী থাকলেও আলোচনায় শীর্ষে রয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব মুশফিকুর রহমান (ধানের শীষ) এবং জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মো. আতাউর রহমান সরকার (দাঁড়িপাল্লা)। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জসিম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির জহিরুল হক খান (লাঙ্গল), জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাহীন খাঁন (মাথাল), গণ অধিকার পরিষদের জহিরুল হক চৌধুরী (ট্রাক) ও ইনসানিয়াত বিপ্লবের রাফি উদ্দিন (আপেল) মাঠে থাকলেও তারা নির্বাচনি লড়াইয়ে অনেকটা পিছিয়ে আছেন।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। তবে সাধারণ ভোটারদের হিসাব-নিকাশ এবার বেশ জটিল। পৌর শহরের বিভিন্ন চায়ের দোকান ও পাড়া-মহল্লা ঘুরে দেখা গেছে, ভোটাররা এবার প্রার্থীর চেয়ে প্রতীক এবং অতীতের কর্মকাণ্ডকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
অটোচালক রহিম মিয়া বলেন, “আগে যাদের ভোট দিয়েছি তারা বিপদের সময় এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। এবার ভেবেচিন্তে ভোট দেব। এমন কাউকে চাই যে সুসময়ে না থাকলেও দুঃসময়ে মানুষের পাশে থাকবে।”
দেলোয়ার হোসেন নামে এক ভোটার বলেন, “দীর্ঘদিন ভোট দিতে পারিনি। এবার প্রতীক দেখে সৎ মানুষকে ভোট দেব।”
এক সময় এই আসনটি বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে ২০০৮ সালের পর এটি আওয়ামী লীগের দখলে চলে যায়। বর্তমানে বিএনপির ভোট ব্যাংকে ভাগ বসিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
আরও পড়ুন:








