শুক্রবার

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৪ মাঘ, ১৪৩২

ঐতিহাসিক দারাসবাড়িতে ড. কেরামত আলীর উন্নয়ননির্ভর ২০ দফা ইশতেহার ঘোষণা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ, প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৩

শেয়ার

ঐতিহাসিক দারাসবাড়িতে ড. কেরামত আলীর উন্নয়ননির্ভর ২০ দফা ইশতেহার ঘোষণা
ছবি: বাংলা এডিশন

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের ১১ দলীয় জোটের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ড. কেরামত আলী আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এক বিস্তৃত ও সময়োপযোগী ২০ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।

শুক্রবার বেলা ১১টায় সীমান্তবর্তী ঐতিহাসিক দারাসবাড়ি মাদরাসা-মসজিদ প্রাঙ্গণে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সমাগমে এ ঘোষণার মাধ্যমে তিনি শিবগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নচিত্র তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে কৃষক, ডাক্তার, শিক্ষক, ছাত্র, তরুণ ভোটারসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।

ড. কেরামত আলী বলেন, “শিবগঞ্জকে কর্মসংস্থান, কৃষি উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও পর্যটনের সমন্বিত মডেল হিসেবে গড়ে তুলতেই আমার এই ২০ দফা ঘোষণা।”

ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি হলো, বেকার যুবকদের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন এবং দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থায়ী কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করা। প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা উন্নয়নকে সামনে রেখে তিনি তরুণদের আত্মকর্মী হয়ে উঠার আহ্বান জানান।

শিবগঞ্জের আম শিল্পকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠার দাবি ইশতেহারে বিশেষভাবে স্থান পায়। তিনি বলেন, “বিশ্বজোড়া খ্যাতি সম্পন্ন চাঁপাই আমকে কেন্দ্র করে যদি রাষ্ট্র উদ্যোগ নেয়, তবে শিবগঞ্জ দেশের অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হবে।”

সড়ক-রেল যোগাযোগ উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, শিগগিরই সোনামসজিদ থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী রেললাইন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যা বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও মানুষের যাতায়াতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে।

সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বিচার বাস্তবায়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ইশতেহারের আরেক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার। একই সঙ্গে গৌড়ের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংস্কার করে পর্যটননগরী হিসেবে গড়ে তোলা এবং ‘গৌড় জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও ঘোষণা করেন তিনি।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি প্রতি বছর নিজের কর্মসম্পাদনের বার্ষিক রিপোর্ট জনগণের সামনে প্রকাশ করবেন বলে ঘোষণা দেন।

ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।



banner close
banner close