চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নানের নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নানসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে দফায় দফায় ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর গুপ্টি ইউনিয়নের ষোলধানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খাজুরিয়া বাজার ও রুপসা বাজার এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নান এবং বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদের সমর্থকদের মধ্যে চার দফা হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে।
এর আগে উপজেলার হোগলী এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নানের উঠান বৈঠকে ধানের শীষের সমর্থকেরা মিছিল নিয়ে উপস্থিত হলে এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
রাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নান অভিযোগ করে বলেন, তাঁর গাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে তিনি নিজে আহত হন। এ ছাড়া সাবেক পৌর মেয়র মঞ্জিল হোসেন, যুবদলের আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম পাটওয়ারী, বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ, জসিম পাটোয়ারী, ইউসূফ, শ্রমিক দলের সভাপতি আলী হোসেন এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেনসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
অন্যদিকে, রুপসা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইমাম বাবু জানান, গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের ঘটনার জের ধরে রুপসা বাজারে ধানের শীষের কর্মীদের ওপর চিংড়ি প্রতীকের সমর্থকেরা এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এতে ফারুক (৩৫), অহিদুল্লাহ (৪০) ও শাহাদাত হোসেন (২০) আহত হন। তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নামধারী হামলাকারীদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়ার নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
ইউএনও জানান, যে কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তা গ্রহণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুন:








