শুক্রবার

৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭ মাঘ, ১৪৩২

মধ্যরাতে বগুড়ায় তারেক রহমান নির্বাচনি জনসভায় জনসমুদ্র, বক্তব্যে আবেগ

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০৫

শেয়ার

মধ্যরাতে বগুড়ায় তারেক রহমান নির্বাচনি জনসভায় জনসমুদ্র, বক্তব্যে আবেগ
ছবি: সংগৃহীতও

দীর্ঘ সময় ১৯ বছর পর পৈত্রিক জেলা বগুড়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতিতে মধ্যরাতে সৃষ্টি হয় ব্যাপক জনজোয়ার।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বগুড়া শহরের ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি জনসভায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। স্লোগান, ব্যানার ও করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে জনসভা প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকা।

নওগাঁয় দিনভর কর্মসূচি শেষে মধ্যরাতে বগুড়ায় পৌঁছান তারেক রহমান। তাকে এক নজর দেখার জন্য আগে থেকেই মাঠ ও আশপাশের সড়কে অবস্থান নেন নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। জনসভা শুরু হতেই মুহূর্তের মধ্যে সৃষ্টি হয় ‘জনতরঙ্গ’।

এরপর বক্তব্য দিতে মঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান। নিজের জেলার মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, “ঘরের মানুষের কাছে বলার কিছু নেই।” তবে আসন্ন নির্বাচনকে দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ধানের শীষকে বিজয়ী করার জন্য বগুড়াবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

বগুড়ার মানুষের ন্যায্য দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, “বগুড়ার অধিকার আদায় করতে হবে। তবে সতর্ক থাকতে হবে—যেন সেই অধিকার আদায় করতে গিয়ে অন্যের ন্যায্য অধিকার আমরা হরণ না করি।”

২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সময়ের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির পার্থক্য তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, এবার বগুড়াবাসীকেই দেশের নেতৃত্ব দিতে হবে। শুধু নিজেদের এলাকার কথা ভাবলে হবে না, দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

বক্তব্যের একপর্যায়ে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে তিনি বলেন,

“আজ এই মুহূর্তে আপনাদের কিছু দেওয়ার নেই আমার, আজ আপনাদের কাছে শুধু চাইবার আছে। এই যে এত রাতে মিটিং করছি, রাজনীতি করছি—আমার স্ত্রী সহযোগিতা না করলে আমি পারতাম না। জুবাইদা রহমান আছেন বলেই আমি পেরেছি।”

উত্তরবঙ্গ সফরে তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান। প্রচার গাড়ি থেকে শুরু করে জনসভার মঞ্চ পর্যন্ত সর্বত্র তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে।

স্ত্রীর সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “ঠিক একইভাবে আপনারা বগুড়ার মানুষ যদি আমার পাশে থাকেন, আমাকে মানসিক শক্তি দেন—ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনে বাংলাদেশকে আমরা একটি ভালো ও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে পারব।



banner close
banner close