চাঁদপুর জেলার দুই রাজনৈতিক দায়িত্বশীল ব্যক্তির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগ উত্থাপন করে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ইমেইল যোগে লিখিত আবেদন করা হলেও কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মী।
আবেদনকারী জানান, গত ২৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বরাবর ইমেইলের মাধ্যমে পাঠানো আবেদনে চাঁদপুর জেলা পর্যায়ের একজন সেক্রেটারি পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং চাঁদপুর সদর তিন আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী এডভোকেট শাহজাহান মিয়া ও একজন শহর আমির পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি অ্যাডভোকেট শাহজাহান খানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহের বিষয়ে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবৈধ আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই আবেদনকারীর এখতিয়ারভুক্ত নয় উল্লেখ করে বলা হয়, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের ভাবমূর্তি, নৈতিক অবস্থান এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেতা-কর্মীদের আস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যাচাই জরুরি।
তবে অভিযোগ দাখিলের পর দীর্ঘ সময় (৯ মাস) অতিক্রান্ত হলেও এখন পর্যন্ত তদন্ত কমিটি গঠন কিংবা আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়। এ অবস্থায় বিষয়টি গুরুত্ব না পেলে পেশাগত দায়বদ্ধতা থেকে তথ্য-উপাত্তসহ গণমাধ্যমে প্রকাশের সম্ভাবনার কথাও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা উত্থাপিত আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগগুলোকে মিথ্যা বলে দাবি করেন।
এদিকে, ওই দুই রাজনৈতিক দায়িত্বশীলের বিরুদ্ধে একই রাজনৈতিক ধারার একাধিক নেতা-কর্মী অভিযোগ করেন, একটি নির্দিষ্ট প্রতীকের প্রার্থীর সঙ্গে ব্যক্তিগত স্বার্থ ও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে গিয়ে নিজ দলের প্রতীকের প্রচার-প্রচারণায় সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। ফলে মাঠপর্যায়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে দূরত্ব ও অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ধরনের নানা অভিযোগ ও পরিস্থিতির কারণে চাঁদপুর-৩ আসনের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন দলটির একাধিক সূত্র।
আরও পড়ুন:








