নির্ধারিত বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন ও পে-কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশের দাবিতে নেত্রকোণায় প্রতীকী অনশন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।
শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নেত্রকোণা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে এ প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর পাঠানো এক স্মারকলিপিতে বলা হয়, বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল, ১:৪ ধাপ ও ১২টি গ্রেডের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণ, পে-কমিশনের রিপোর্ট দ্রুত প্রকাশ এবং পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গেজেট প্রকাশের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন সরকারি কর্মচারীরা।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ১১-২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতায় সংসার চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকার পে-কমিশন গঠন করলেও এখনো কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে।
এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে এ প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে। কর্মসূচিতে নেত্রকোণার সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও করপোরেশনভুক্ত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করবেন বলে জানানো হয়েছে।
সংগঠনের নেতারা জানান, শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সার্বিক সহায়তা কামনা করা হয়েছে।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা সরকারী কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক মো: রফিকুল ইসলাম, সদস্য সচিব মোঃ শাহানূর কবীর খোকন, অর্থ সমন্বয় মোঃ সিরাজুল আলম,মদন উপজেলার প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সমন্বয়ক রাসেল হায়দারসহ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ, নেত্রকোণা জেলা শাখার নেতারা বলেন, “দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। এটি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরং দেশের লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারীর ন্যায্য অধিকারের প্রশ্ন।”
দাবি আদায় না হলে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে নির্বাচন বর্জন করতে বাধ্য হব।
আরও পড়ুন:








