বুধবার

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৮ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে জনগণ বসে থাকবে না: জামায়াত আমির বগুড়া-৪: বিএনপি প্রার্থী মোশারফের তিন কর্মী বিদেশী পিস্তল গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ সেনাবাহিনীর হাতে আটক জামায়াত আমিরসহ নেতাদের বিরুদ্ধে গুজব-অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান সিসি ক্যামেরার আওতায় ৯০ শতাংশের বেশি ভোটকেন্দ্র: ইসি ঈদের মতো জনস্রোত সদরঘাটে, নিজের ভোট নিজে দিতে পারার আশা হাসনাতের সেই ‘প্রতিদ্বন্ধি’ প্রার্থী এবার বিএনপি থেকেও বহিষ্কার সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নীলফামারীতে ভোটের আগেই কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা চুরি

জুলাই হত্যাকারীদের ফিরিয়ে এনে বিচার করাই এখন মূল লক্ষ্য: প্রেস সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:১৮

আপডেট: ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:২০

শেয়ার

জুলাই হত্যাকারীদের ফিরিয়ে এনে বিচার করাই এখন মূল লক্ষ্য: প্রেস সচিব
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই আন্দোলনে অসংখ্য শিক্ষার্থী-জনতাকে হত্যা করেছিলো ফ্যাসিস্ট সরকার। হত্যাকারীদের ফিরিয়ে এনে বিচার কার্যকর করাই এখন মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত হয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের গণহত্যার চিত্র।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় মাগুরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে প্রেস সচিব বলেন, তার দেশে ফিরতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই। যখন ইচ্ছা তিনি দেশে আসতে পারবেন। একইসঙ্গে দেশে ফেরা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত বিষয় এবং তার দলের বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

‘মাইনাস ফোর ফর্মুলা’ প্রশ্নে তিনি আরও বলেন, যারা এটার কথা বলছে তারা স্বৈরাচারের দোসরের মতো ছিল। সরকার কখনও এসব কথা বলেনি। যারা এই কথা আনছে, তারা স্বৈরাচারের দোসরের মতো কথা বলছে। এমনকি সরকার কাউকে মাইনাস করেনি দাবি করেন প্রেস সচিব। তিনি বলেন, যিনি মাইনাস হয়েছেন, তিনি হত্যাযোগ্য করে মাইনাস হয়েছেন।

খালেদা জিয়াকে জাতীয় নেতা আখ্যা দিয়ে প্রেস সচিব বলেন, তিনি আপামর জনসাধারণের নেতা। তিনি শুধু বিএনপির নেতা না। আমরা তার সুস্থতা কামনা করি। তিনি সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে আসুক। বাংলাদেশের তার প্রেজেন্টটা খুবই প্রয়োজন।

নির্বাচনের বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি মধ্যে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যেই নির্বাচন কমিশন সকল রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা সম্পন্ন করেছে। এছাড়াও অন্তর্বর্তী সরকার দেশে শান্তি ও সুষ্ঠু নির্বাচন চান বলে উল্লেখ করেন তিনি।



আরও পড়ুন:

banner close
banner close