বুধবার

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

সর্বশেষ
প্রতিটি ক্যাম্পাসে হাজার হাজার বার শিবিরকে ‘গুপ্ত’ বলা হবে: ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির হত্যা, দখল ও চাঁদাবাজিতে ফের সক্রিয় শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ালেন ট্রাম্প 'কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে সাইবার আইনে দ্রুত বিচার: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী কুষ্টিয়ায় গত বছরের প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা, তিন শিক্ষক সহ ৬জনকে অব্যাহতি মোস্তাফিজ-তাসকিনকে বিশ্রাম দিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড ঘোষণা ইরানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় পাকিস্তান অস্ত্র হাতে হামলার ছবি ভাইরাল, প্রশাসন বলছে শনাক্ত করা যায়নি

সিরাজগঞ্জে রিকশাচালককে আটকে নির্যাতন ও ঘুষের অভিযোগে এসআইয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর, ২০২৫ ১৮:৩৬

শেয়ার

সিরাজগঞ্জে রিকশাচালককে আটকে নির্যাতন ও ঘুষের অভিযোগে এসআইয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত
ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার এসআই মাইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে রিকশাচালক আনোয়ার হোসেনকে আটক, নির্যাতন ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তা থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন দেবভোগ গ্রামের মৃত জিহাদ হোসেনের ছেলে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ১০ জুলাই রাতে ধুবিল কাটারমহল গ্রামের একটি বাড়িতে সংঘটিত চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে এসআই মাইনুল সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে আনোয়ারকে বাড়ি থেকে আটক করেন। তাকে রাতভর থানার হাজতখানায় রাখা হয়। পরদিন সকালে তাকে থানার দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে নিয়ে চুরির মামলা স্বীকারে চাপ প্রয়োগ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়।

স্বীকারোক্তি আদায় না হওয়ায় তাকে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানায় জুলাই আন্দোলনে হামলা ও অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে কোনো তথ্য না পেয়ে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয় এবং ১৬ হাজার টাকা গ্রহণের পর মুসলেকায় ছেড়ে দেওয়া হয়। ছাড়পত্র দেয়ার আগে আনোয়ারের কাছ থেকে পুলিশি নির্যাতন ও ঘুষের অভিযোগ অস্বীকার করে ভিডিও রেকর্ডও করা হয়। ভয়ে তিনি বিষয়টি গোপন রাখলেও ১১ নভেম্বর পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। পুলিশ সুপার অভিযোগের তদন্তে সাত দিনের নির্দেশ দেন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে দেওয়া হয়েছে। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

অভিযুক্ত এসআই মাইনুল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, চাকরি জীবনে কোনো ধরনের ঘুষ গ্রহণ বা অবৈধভাবে কাউকে আটকে রাখার রেকর্ড নেই এবং তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন



banner close
banner close