গ্যাস সংযোগ সংক্রান্ত বিতর্কিত সংবাদ প্রকাশের পর বগুড়া জেলা এনসিপি নেতা মো. মতিউর রহমান পিটু প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। পাশাপাশি তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, ভবিষ্যতে যেন এমন কোনো বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি আর না ঘটে, সে বিষয়ে তিনি সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবেন।
রবিবার দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা এডিশনে প্রকাশিত এক সংবাদে বলা হয়, অবৈধভাবে অতিরিক্ত গ্যাসচুলা ব্যবহার করার অভিযোগে মতিউর রহমান পিটুর বাসার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে কর্তৃপক্ষ।
এ প্রসঙ্গে সোমবার (১০ নভেম্বর) লিখিত এক প্রতিবাদলিপিতে পিটু বলেন, “আমি আমার নিজস্ব বিল বই অনুযায়ী নিয়মিতভাবে গ্যাস বিল পরিশোধ করে আসছি। সম্প্রতি আরও তিনটি নতুন লাইনের জন্য নিয়ম মেনে আবেদন করেছি। বাসায় টান দেওয়ার সময় লাইনগুলো স্থাপন করা হচ্ছিল, এর মধ্যে একটি লাইন প্রশাসনিক কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়, যা ভুলবশত অতিরিক্ত লাইন হিসেবে গণ্য হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ও অজ্ঞতাবশত ঘটেছে। আমার কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না। এজন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমি আইন ও বিধি মেনে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রস্তুত এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকব।
প্রতিবেদকের বক্তব্য : পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস অফিসের ম্যানেজার আলমগীর হোসেন গতকাল রবিবার এনসিপি নেতা মতিউর রহমান পিটুর বাসায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিষয়টি সরেজমিন তদন্তে প্রমাণ পান। এ ঘটনায় তার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। গ্যাস কোম্পানির তথ্য এবং এসসিপি নেতা মতিউর রহমান পিটুর বক্তব্য নিয়ে সংবাদটি পরিবেশন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:








