পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় ককটেল বিস্ফোরণ, লুটপাট ও চাঁদা দাবির অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর ৩৭ জন নেতা এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭০-৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রবিবার (৯ নভেম্বর) সকালে মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে দশমিনা থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি হলেন দশমিনা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সাহাবুদ্দিনের ছেলে মো. পাভেল।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে দশমিনা সদর ইউনিয়নের চরহাদি এলাকার সাংগঠনিক ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. কালু মৃধা বাদী হয়ে থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ লিটনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ১ নভেম্বর তরমুজ চাষকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা চরহাদি এলাকায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় স্থানীয়দের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় এবং ৮ থেকে ১০টি ককটেল বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আলীম বলেন, “তরমুজ চাষের জমি দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ককটেল বিস্ফোরণ, লুটপাট ও চাঁদা দাবির অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৩৭ জনকে নামীয় আসামি এবং আরও ৭০-৮০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। রবিবার সকালে এজাহারভুক্ত আসামি পাভেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে, অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”
আরও পড়ুন:








