বাংলা এডিশন অনলাইনে ‘সড়কের জাটকা অভিযানে ভোগান্তিতে পরিবহন যাত্রীরা, বন্দরে অভিযানের দাবি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।
শনিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ আকস্মিকভাবে মহিপুর-আলিপুর মৎস্য বন্দর এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি ট্রলার ঘাট, আড়ত ও বাজার এলাকা ঘুরে জাটকা বিক্রির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করেন।
ইউএনও কাউসার হামিদ বলেন, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সরকারের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে প্রশাসন সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। কেউই জাটকা ধরতে বা বিক্রি করতে পারবে না। নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান চলবে।
এর আগে বাংলা এডিশনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও মহিপুর-আলিপুর বন্দরের আড়তগুলোতে প্রকাশ্যে চলছে জাটকা কেনাবেচা, অথচ প্রশাসনের তৎপরতা কেবল মহাসড়কে সীমাবদ্ধ। সংবাদটি প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঠে নেমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
স্থানীয় মৎস্যজীবীদের একাংশ জানিয়েছেন, সাগরে বড় ইলিশ না থাকায় জীবিকার তাগিদে অনেকে জাটকা ধরতে বাধ্য হচ্ছেন। তারা বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি করার দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে বন্দর এলাকার ভেতরে নিয়মিত ও সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হবে, যাতে কেউ নিষিদ্ধ জাটকা ধরা বা বিক্রি করতে না পারে।
স্থানীয় সচেতন মহল জানিয়েছে, বাংলা এডিশনের প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসনের দ্রুত সাড়া প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে এই তৎপরতা যদি ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকে, তাহলে ইলিশের প্রজনন ও সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
আরও পড়ুন:








