রবিবার

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৩ ফাল্গুন, ১৪৩২

গাজীপুরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতা স্থায়ীভাবে বহিষ্কার

গাজীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর, ২০২৫ ২২:০১

শেয়ার

গাজীপুরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতা স্থায়ীভাবে বহিষ্কার
ফাইল ছবি

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে কাপাসিয়া উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের ভুলেস্বর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় নয়া দিগন্তের মাল্টিমিডিয়া গাজীপুর প্রতিনিধি মো. মোজাহিদ, দৈনিক আমার সংবাদের প্রতিনিধি এস এম জহিরুল ইসলাম এবং দৈনিক আলোকিত সকালের প্রতিনিধি হুমায়ুন কবীর তুষার গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিন সাংবাদিক বনাঞ্চলে গজারি গাছ কাটা ও লুটপাটের দৃশ্য ধারণ করছিলেন। এ সময় হামলার নেতৃত্ব দেন কাপাসিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, এবং হামলায় সরাসরি অংশ নেন রায়েদ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মামুন ও তাদের সহযোগী আবুল কাশেম ওরফে গজারী কাশেম।

হামলার পর স্থানীয়রা আহত সাংবাদিকদের উদ্ধার করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে আবুল কাশেম, মামুন ও আলামিনকে গ্রেপ্তার করে কাপাসিয়া থানা পুলিশ।

দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিদ্ধান্তে সদস্য সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মামুনকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বহিষ্কৃত দুই নেতার সঙ্গে সংগঠনের কোনো পর্যায়ের নেতা-কর্মী যেন কোনো যোগাযোগ না রাখেন, সে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান খান মুন্না ও সদস্য সচিব আশরাফ নেওয়াজ চৌধুরী শাওন।

তারা বলেন, “স্বেচ্ছাসেবক দল সর্বদা গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার মতো নিন্দনীয় ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই সংগঠনে স্থান নেই।

এদিকে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ হামলার ঘটনার কঠোর নিন্দা জানিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে এবং হামলায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।



আরও পড়ুন:

banner close
banner close