বরগুনার বামনা উপজেলার সাবেক তিনবারের উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তিনি তার নিজ দল ছেড়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন।
রবিবার বিকেলে উপজেলা জামায়াতের জনসভায় আনুষ্ঠানিক ভাবে জামায়াতে যোগ দেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মানজুরুর রব মুর্তজা (মামুন প্রফেসর) এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক দিনার তালুকদার। এসময় তাদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ হারুন।
এসময় সাবেক উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক দিনার তালুকদার বলেন, আমি দীর্ঘদিন এই বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। মামলা খেয়েছি, জেল খেটেছি। দলের পেছনে ১৮ লক্ষ টাকা ব্যায় করেছি। কিন্তু শেখ হাসিনার চেয়েও দ্বিগুণ ভয়ঙ্কর তারা। যেভাবে চাদাঁবাজি, লুটপাট, জমি দখল মানুষের উপর নির্যাতন করে আসছে তা আমি সহ্য করতে পারিনি তাই বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
এদিকে বিএনপি ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বামনার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মানজুরুর রব মুর্তজা (মামুন প্রফেসর)। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, আমার কাছে দলীয় রাজনীতি কখনোই ক্ষমতার মূল মাধ্যম নয়, আমার কাছে রাজনীতি হচ্ছে সকল পর্যায়ের মানুষের সাথে সম্পর্কের গভীরতা সৃষ্টির এক আন্তরিক উদ্যোগ। আরও লিখেছিলাম, নিজের স্বার্থে নয়, কোন পদ-পদবীর আকর্ষণে নয়, কেবল মানুষের হিতার্থে, ন্যায়ের পক্ষে,জনতার অধিকার রক্ষায় সার্বজনীন কল্যাণে কাজ করতে ভবিষ্যতে কোন দলে ফেরা বা অন্য কোন দলে যোগদান করার ক্ষেত্রে আমার হিতাকাঙ্খীদের সাথে পরামর্শ করে স্থির করবো।
পোস্টে তিনি বলেন, সকল প্রিয় মানুষের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব না হলেও সরাসরি, মেসেঞ্জারে, হোয়াটস অ্যাপে এবং মোবাইল ফোনে কথা বলেছেন অনেকে। অনেকেই বলেছেন বিএনপিতে না ফিরলে যে কোন ইসলামী আদর্শ ভিত্তিক দলের সাথে থাকতে। কেউ বলেছেন জামায়াতে ইসলামে যোগ দিতে। কেউ মত দিয়েছেন, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনে যোগ দিতে। কেউ মত দিয়েছেন আরো কিছু দিন বিএনপি-তে থেকে পরিস্থিতি আরেকটু বুঝতে। কেউ
বলেছেন বিএনপি-র বহিষ্কার আদেশ মেনে দল থেকে বিদায় নিতে। কারো মতে রাজনীতি বাদ দিয়ে নিরিবিলি থাকতে। সব কিছু মিলিয়ে নানা ধরণের পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করে একটা স্পষ্ট ধারণা পেয়েছি। কোন বিষয়ে সবাই একমত হবেন এমনটা নয়, তবে যারা মতামত ও পরামর্শ দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।
আরও পড়ুন:








