বগুড়ার গাবতলীর দুর্গাহাটায় ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয় সাঞ্জিদুর রহমান সাকিব (২১) নামের এক ছত্রদল কর্মী। হমলার ঘটনায় ওই ইউনিয়নের ছাত্রদলের আহবায়ক আশিক এবং যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছে আহত ছাত্রদল কর্মী সাকিবের বাবা রবিউল করিম।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গেল দুর্গাপূজার মেলায় আপত্তিকর আচরণ নিয়ে সাকিবের সঙ্গে যুবলীগ নেতা জুয়েলের ছেলে লিখনের সাথে স্থানীয় সন্ত্রাসী চক্রের ঝগড়া বাঁধে। তখনই আসামীরা দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ৩১ অক্টোবর বিকেলে দুর্গাহাটা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন পাবলিক মাঠে খেলা চলাকালে দূর্গাহাটা ইউনিয়নের ছাত্রদলের আহবায়ক আসিক কৌশলে ছাত্রদল কর্মী সাকিবকে পূর্ব পাশে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদল নেতা নেতৃত্বে ১০-১৫ জন তাদের হাতে থাকা বাটাম, লোহার রড, বার্মিজ চাকু ও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে সাকিবের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। গুরুতর আহতাবস্থায় সাকিব বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মামলার বাদী সাকিবের বাবা রবিউল করিম জানান, পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এঘটনায় যুবলীগ আর ছাত্রদলের লোকজন মিলে এখনো আমরা আতঙ্কে আছি।
বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এমআর হাসান পলাশ জানান, তার কর্মীকে অন্যায়ভাবে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। মামলায় ছাত্রদল নেতা ও যুবলীগ নেতা আসামি হয়েছে বলেও বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। এ বিষয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উভয় ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেরাজুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হামলার ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনান্য আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।
আরও পড়ুন:








